নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেছেন,পূজার ছুটিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের ফেরি ও লঞ্চ চলাচল এবং সার্বিক যাত্রীসেবা পর্যবেক্ষণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,দুর্গাপূজা বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব। এ ছুটিতে মানুষ যেন পরিবার পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন। ঠিক একই ভাবে ছুটি শেষে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরতে পারেন,সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন,ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার মতো বড় উৎসব গুলোতে যে ভাবে সুসংগঠিত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা হয়। এবারও ঠিক একই রকম সমন্বিত ও নিবিড় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

নৌপথের সম্ভাব্য প্রাকৃতিক ও কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে তিনি যোগ করে আরও বলেন,নৌ-পথে নাব্যতা সংকট কিংবা নদী ভাঙনের কারণে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলে যেন বিকল্প ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করা যায়,সে জন্য আগাম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। পলি অপসারণের জন্য আমাদের ড্রেজার গুলো প্রস্তুত রয়েছে।
রাজিব আহসান আরও বলেন,ঘাট এলাকায় বিদ্যমান যে কোনো অবকাঠামোগত সমস্যা দ্রুত সমাধান করে যাত্রী চলাচল সহজ ও স্বস্তিদায়ক করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই যাত্রীদের অহেতুক ভোগান্তিতে পড়তে দেওয়া হবে না।
পরিদর্শনকালে তিনি লঞ্চ ঘাটের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ঘুরে দেখেন এবং লঞ্চ মালিক ও পরিচালনাকারীদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে তিনি ঘাটে নোঙর করে রাখা ফেরিতে সরেজমিনে গিয়ে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের যাতায়াতের অভিজ্ঞতা ও সুবিধার খোঁজখবর নেন।
এ সময় নৌপ্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান মো: মহিদুল ইসলাম,শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা রানী কর্মকারসহ সংশ্লিষ্ট নৌপরিহন দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





