মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তিনটি ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে খানা-তথ্য সংগ্রহের জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে এই জরিপ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার।
উপজেলায় মোট ৫০ হাজার ৩২টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে সাতটি ইউনিয়নের ৬৫টি ওয়ার্ডের জন্য ৭৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে মাত্র ১৫টি ট্যাবলেট প্রাপ্তির কারণে আপাতত তেওতা, উলাইল ও মহাদেবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রম সীমিত রাখা হয়েছে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জরিপ কার্যক্রমের জন্য ৭৪ জন তথ্য সংগ্রহকারীর পাশাপাশি প্রাক্কলিত ও সংরক্ষিতসহ আটজন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরবর্তীতে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
জরিপ সম্পর্কিত বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জয় কৃষ্ণ সরকার জানান, তথ্য সংগ্রহের সময় পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি এবং পরিবারের নারীপ্রধানের নামে নিবন্ধিত সক্রিয় বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট আবশ্যক। পরিবারের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির বা আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন নেই। সবাইকে এ ধরনের অবৈধ লেনদেন থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে। অনিয়মে কেউ জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
জরিপ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জয় কৃষ্ণ সরকার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দবির উদ্দিন আহম্মেদ, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এসপিএস টিপু সুলতান, ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, ইউপি সদস্য বশির উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী সদস্য মমতাজ বেগম এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা রবিউল বারী হিরুসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।





