“গ্রীন ধানকোড়া, ক্লিন ধানকোড়া” প্রতিপাদ্যে সাটুরিয়ার ধানকোড়ায় পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে ‘ধানকোড়া ইউনিয়ন গ্রাজুয়েটস ক্লাব’।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইউনিয়ন জুড়ে এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যা ইতি মধ্যে সুশীল সমাজের বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।
জানা যায়, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে শুরু হওয়া এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান এবং রাস্তার দু’পাশে নিয়মিত ভাবে গাছ রোপণ করে আসছে ক্লাবটি। প্রাথমিক পর্যায়ে পুরো ইউনিয়নের জন্য হাজারের অধিক গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোপণ করা চারা গুলোর মধ্যে রয়েছে বনজ, ফলজ ও ভেষজ বা ঔষধি জাতের বিভিন্ন গাছ। বিশেষ করে এই কর্মসূচির সব চেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, গাছ কেনার জন্য কোনো বাহ্যিক তহবিলের ওপর নির্ভর করতে হয় না। ক্লাবের সদস্যদের ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় এসব চারা উপহার হিসেবে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত “ধানকোড়া ইউনিয়ন গ্র্যাজুয়েটস ক্লাব” এর এমন পরিবেশ বান্ধব ও কল্যাণমুখী উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ক্লাবের সদস্যদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ ও ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস গ্রামকে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন রাখতে দীর্ঘ মেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এই ক্লাবের অন্যতম সংগঠক আলমগীর হোসেন শান্ত বলেন, “ধানকোড়া ইউনিয়ন গ্র্যাজুয়েটস ক্লাব” পরিবেশ সুরক্ষা ও একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে ‘গ্রীন ধানকোড়া, ক্লিন ধানকোড়া’ শীর্ষক বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি মৌসুমে জনবহুল ও উন্মুক্ত স্থানে হাজারের অধিক বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং তা চলমান। ক্লাবের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে স্থানীয় তরুণদের পাশাপাশি সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, রোপিত চারা গুলোর পরিচর্যায় “ধানকোড়া ইউনিয়ন গ্র্যাজুয়েটস ক্লাব” এর সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন। এই উদ্যোগের পরিধি আরও বাড়িয়ে অদূর ভবিষ্যতে ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবারকে ফল ও বনজ চারা উপহার হিসেবে দেওয়ার চিন্তাও রয়েছে। পাশাপাশি ক্লাবের সকল সিনিয়র সদস্যের পরামর্শ এবং জুনিয়রসহ সুশীল সমাজের সহযোগিতায় এলাকাটিকে একটি আদর্শ সবুজ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।





