শিরোনাম
Advertisement
অপরাধ

মা-ছেলে হত্যা মামলায় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

Advertisement
মা-ছেলে হত্যা, ১০ বছরের কারাদণ্ড দণ্ডপ্রাপ্ত সোলাইমান হোসেনছবি: সারাক্ষণ সংবাদ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মা ও ছেলে হত্যা মামলায় সোলায়মান হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোলাইমান হোসেন (৩৪) সাটুরিয়া উপজেলার উত্তর কাউন্নারা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। নিহত পারভিন আক্তার সম্পর্কে তার ভাবি ।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে আটটা থেকে পরদিন সকাল ছয়টার মধ্যে সাটুরিয়া উপজেলার সাফুল্লী গ্রামে নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভিন আক্তার (৩৫) ও তার ছয় বছরের ছেলে আব্দুল নূরকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন ৯ জানুয়ারি নিহত পারভিন আক্তারের মা মজিরন বেগম অজ্ঞাতনামা আসামি করে সাটুরিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম ২০২০ সালের ১৪ মে সোলায়মান হোসেনকে ৩০২ ধারায় একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন আসামি সোলাইমানের সাথে তার ভাবি পরভিনের পরোক্রীয়া সম্পর্ক ছিলো। সম্পর্কের অবনতি ঘটনায় ভাবিকে হত্যার পর ভাতিজা নূরকে হত্যা করে। আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার দায়স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এদিকে রায় ঘোষনার পর আসামি নিজেকে নিদোষ দাবী করে বলেন তার ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার সাথে সে জড়িত নয়। অন্য কেউ এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, এই রায়ে আসামি পক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

অপর দিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আ.ফ.ম নূরতাজ আলম বাহার বলেন, মামলায় মোট ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় সোলায়মান হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতের বিচারক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

এ রায় দেন এই রায়ে বাদী পক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ডাবল মার্ডারের ঘটনায় আসামির মৃত্যু দন্ড প্রত্যাশা করেছিলাম। বাদী পক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

এ বিভাগের আরও সংবাদ