শারদীয় দুর্গাপূজায় মণ্ডপে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিবালয় থানা চত্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, মাদক সেবন কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। মাদকাসক্ত ব্যক্তির হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তাই পূজার সময় কেউ মাদক সেবন করে মন্দির চত্বরে প্রবেশ করলে তাকে তাৎক্ষণিক ভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি মন্দির কমিটির উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে পাহারার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশও সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের শিবালয় উপজেলা সভাপতি নিখিল চন্দ্র মালো ও সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুমার দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, শিবালয় সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুনিল চন্দ্র নাথ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক মো. আকরাম হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের ও ছাত্রদল নেতা মুহাম্মদ আবু দাউদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, এ বছর শিবালয় উপজেলায় ৯৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে, যা বিগত বছরের তুলনায় ১০টি বেশি।





